জানা অজানা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জানা অজানা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১৩

পর্নোগ্রাফির কুফল

ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি নিয়ে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা যায় এটি এমন একটি তরুণ প্রজন্ম তৈরি করছে,
যারা শোবার ঘরে তাদের সঙ্গীর সাথে একেবারেই হতাশাজনক ফল দিচ্ছে। এই বিনোদন মাধ্যম তরুণগোষ্ঠীকে এতই
আকৃষ্ট ও প্রভাবিত করছে যে, তারা প্রকৃত নারীর কাছাকাছি আসলে তেমন একটা আকর্ষণ অনুভব করে না। তাই
যৌন অক্ষমতা এখন আর কেবল ভগ্ন শরীরের প্রৌঢ়দের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই, এটা এখন আমাদের তরুণ
প্রজন্মের ভেতরও প্রকট হওয়া শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা জার্নাল,
‘সাইকোলজি টুডে’তে একটি গবেষণাপত্রে সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইন্টারনেট পর্ণগ্রাফি এখন
এতই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, মাত্র বিশ বছরের তরুণ যুবকও প্রকৃত অর্থে স্বাভাবিকরকম যৌনাচরণ
করতে পারছে না। এর মূল কারণ কী হতে পারে? কারন হিসেবে বলা হয়েছে, যারা পর্ণো দেখে তাদের যৌন
উত্তেজনা তৈরিতে মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক উত্তেজনার (মেডিক্যালের ভাষায় এটাকে বলে ডোপামাইন স্পাইক)
প্রয়োজন হয়। আর একবার কোনোভাবে এই উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তখন সাধারণ নারীতে আর সেই
একই উত্তেজনা আসে না এবং মস্তিষ্ক আগের মত কাজ করে না। ফলে ধরতে গেলে তারা নপুংশক হয়ে যায়।
এই গবেষণাপত্রের লেখিকা 'মারনিয়া রবিনসন' বলেন, যৌন
উত্তেজক গল্প, ছবি কিংবা ভিডিও—এগুলো অনেক
আগে থেকেই ছিল। কিন্তু হালকালের সহজলভ্য ইন্টারনেটের
কারণে এই ‘ডোপামাইন স্পাইক’ এখন সীমাহীন
পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। ফলে এর প্রভাব হবে আরো অনেক
বেশি ক্ষতিকর। সম্প্রতি অনেক যুবকের ওপর
গবেষণা করে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, তাদের উপর এই
ডোপামাইন স্পাইকের প্রভাব এতটাই বেশি যে, ইন্টারনেটের
মাধ্যমে ক্রমাগত পর্ণ না দেখলে তারা কোনোরকম যৌন
উত্তেজনাই অনুভব করতে পারে না। তাদের কেউ তাই খুব
হতাশ হয়ে পড়েন, যখন দেখতে পান তাদের স্বাভাবিক যৌন
জীবন আর আগের মত স্বাভাবিক থাকছে না।
পাশাপাশি অনেকেই জানে না, ইন্টারনেট
পর্ণোগ্রাফি এভাবে যৌন উত্তেজনাকেও কমিয়ে ফেলতে পারে এবং এটা জানার পর
তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
লেখিকার মতে, এর থেকে মুক্তির উপায় হলো ব্রেনকে আবার রিবুট করা। অর্থাত্ পর্ণোগ্রাফি দেখা একদম বন্ধ
করে দেয়া এবং কয়েক মাস পুরোপুরি বিশ্রাম নেয়া। এর ফলে ব্রেন থেকে সেই অতি উত্তেজনাকর
সিগনালগুলো দুর্বল হয়ে যাবে এবং একটা সময় সেই মানুষটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতেও পারে।
উঠতি বয়সী তরুণদের হাতে এখন কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট রয়েছে। এর অর্থ হলো, তাদের কাছে পর্ণোগ্রাফি ২৪
ঘণ্টাই হাতের কাছে রয়েছে। আর ওই বয়সে একবার তাতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তার পুরো জীবনের ওপর
সেটা প্রভাব ফেলতে বাধ্য।
প্রতিটি বাবা-মা’র উচিত হবে, এ বিষয়গুলো তার সন্তানদের ভালো করে বুঝিয়ে দেয়া এবং তরুণ
বয়সী ছেলেমেয়েদের বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা। মনে রাখতে হবে, ‘সেক্স এডুকেশন’ আর ‘সেক্স’ এক
জিনিস নয়। শিক্ষা মানুষকে সুন্দর করার জন্য। তাই ভুল কোনো ধারণায় বশবর্তী না হয়ে সঠিক শিক্ষাটি নিন,
ভালো থাকুন।
সুত্রঃ দৈনিক আমার দেশ, সাইকোলজি টুডে।

পর্নোগ্রাফির কুফল

ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি নিয়ে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা যায় এটি এমন একটি তরুণ প্রজন্ম তৈরি করছে,
যারা শোবার ঘরে তাদের সঙ্গীর সাথে একেবারেই হতাশাজনক ফল দিচ্ছে। এই বিনোদন মাধ্যম তরুণগোষ্ঠীকে এতই
আকৃষ্ট ও প্রভাবিত করছে যে, তারা প্রকৃত নারীর কাছাকাছি আসলে তেমন একটা আকর্ষণ অনুভব করে না। তাই
যৌন অক্ষমতা এখন আর কেবল ভগ্ন শরীরের প্রৌঢ়দের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই, এটা এখন আমাদের তরুণ
প্রজন্মের ভেতরও প্রকট হওয়া শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা জার্নাল,
‘সাইকোলজি টুডে’তে একটি গবেষণাপত্রে সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইন্টারনেট পর্ণগ্রাফি এখন
এতই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, মাত্র বিশ বছরের তরুণ যুবকও প্রকৃত অর্থে স্বাভাবিকরকম যৌনাচরণ
করতে পারছে না। এর মূল কারণ কী হতে পারে? কারন হিসেবে বলা হয়েছে, যারা পর্ণো দেখে তাদের যৌন
উত্তেজনা তৈরিতে মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক উত্তেজনার (মেডিক্যালের ভাষায় এটাকে বলে ডোপামাইন স্পাইক)
প্রয়োজন হয়। আর একবার কোনোভাবে এই উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তখন সাধারণ নারীতে আর সেই
একই উত্তেজনা আসে না এবং মস্তিষ্ক আগের মত কাজ করে না। ফলে ধরতে গেলে তারা নপুংশক হয়ে যায়।
এই গবেষণাপত্রের লেখিকা 'মারনিয়া রবিনসন' বলেন, যৌন
উত্তেজক গল্প, ছবি কিংবা ভিডিও—এগুলো অনেক
আগে থেকেই ছিল। কিন্তু হালকালের সহজলভ্য ইন্টারনেটের
কারণে এই ‘ডোপামাইন স্পাইক’ এখন সীমাহীন
পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। ফলে এর প্রভাব হবে আরো অনেক
বেশি ক্ষতিকর। সম্প্রতি অনেক যুবকের ওপর
গবেষণা করে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, তাদের উপর এই
ডোপামাইন স্পাইকের প্রভাব এতটাই বেশি যে, ইন্টারনেটের
মাধ্যমে ক্রমাগত পর্ণ না দেখলে তারা কোনোরকম যৌন
উত্তেজনাই অনুভব করতে পারে না। তাদের কেউ তাই খুব
হতাশ হয়ে পড়েন, যখন দেখতে পান তাদের স্বাভাবিক যৌন
জীবন আর আগের মত স্বাভাবিক থাকছে না।
পাশাপাশি অনেকেই জানে না, ইন্টারনেট
পর্ণোগ্রাফি এভাবে যৌন উত্তেজনাকেও কমিয়ে ফেলতে পারে এবং এটা জানার পর
তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
লেখিকার মতে, এর থেকে মুক্তির উপায় হলো ব্রেনকে আবার রিবুট করা। অর্থাত্ পর্ণোগ্রাফি দেখা একদম বন্ধ
করে দেয়া এবং কয়েক মাস পুরোপুরি বিশ্রাম নেয়া। এর ফলে ব্রেন থেকে সেই অতি উত্তেজনাকর
সিগনালগুলো দুর্বল হয়ে যাবে এবং একটা সময় সেই মানুষটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতেও পারে।
উঠতি বয়সী তরুণদের হাতে এখন কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট রয়েছে। এর অর্থ হলো, তাদের কাছে পর্ণোগ্রাফি ২৪
ঘণ্টাই হাতের কাছে রয়েছে। আর ওই বয়সে একবার তাতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তার পুরো জীবনের ওপর
সেটা প্রভাব ফেলতে বাধ্য।
প্রতিটি বাবা-মা’র উচিত হবে, এ বিষয়গুলো তার সন্তানদের ভালো করে বুঝিয়ে দেয়া এবং তরুণ
বয়সী ছেলেমেয়েদের বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা। মনে রাখতে হবে, ‘সেক্স এডুকেশন’ আর ‘সেক্স’ এক
জিনিস নয়। শিক্ষা মানুষকে সুন্দর করার জন্য। তাই ভুল কোনো ধারণায় বশবর্তী না হয়ে সঠিক শিক্ষাটি নিন,
ভালো থাকুন।
সুত্রঃ দৈনিক আমার দেশ, সাইকোলজি টুডে।

পর্নোগ্রাফির কুফল

ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি নিয়ে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা যায় এটি এমন একটি তরুণ প্রজন্ম তৈরি করছে,
যারা শোবার ঘরে তাদের সঙ্গীর সাথে একেবারেই হতাশাজনক ফল দিচ্ছে। এই বিনোদন মাধ্যম তরুণগোষ্ঠীকে এতই
আকৃষ্ট ও প্রভাবিত করছে যে, তারা প্রকৃত নারীর কাছাকাছি আসলে তেমন একটা আকর্ষণ অনুভব করে না। তাই
যৌন অক্ষমতা এখন আর কেবল ভগ্ন শরীরের প্রৌঢ়দের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই, এটা এখন আমাদের তরুণ
প্রজন্মের ভেতরও প্রকট হওয়া শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা জার্নাল,
‘সাইকোলজি টুডে’তে একটি গবেষণাপত্রে সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইন্টারনেট পর্ণগ্রাফি এখন
এতই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, মাত্র বিশ বছরের তরুণ যুবকও প্রকৃত অর্থে স্বাভাবিকরকম যৌনাচরণ
করতে পারছে না। এর মূল কারণ কী হতে পারে? কারন হিসেবে বলা হয়েছে, যারা পর্ণো দেখে তাদের যৌন
উত্তেজনা তৈরিতে মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক উত্তেজনার (মেডিক্যালের ভাষায় এটাকে বলে ডোপামাইন স্পাইক)
প্রয়োজন হয়। আর একবার কোনোভাবে এই উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তখন সাধারণ নারীতে আর সেই
একই উত্তেজনা আসে না এবং মস্তিষ্ক আগের মত কাজ করে না। ফলে ধরতে গেলে তারা নপুংশক হয়ে যায়।
এই গবেষণাপত্রের লেখিকা 'মারনিয়া রবিনসন' বলেন, যৌন
উত্তেজক গল্প, ছবি কিংবা ভিডিও—এগুলো অনেক
আগে থেকেই ছিল। কিন্তু হালকালের সহজলভ্য ইন্টারনেটের
কারণে এই ‘ডোপামাইন স্পাইক’ এখন সীমাহীন
পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। ফলে এর প্রভাব হবে আরো অনেক
বেশি ক্ষতিকর। সম্প্রতি অনেক যুবকের ওপর
গবেষণা করে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, তাদের উপর এই
ডোপামাইন স্পাইকের প্রভাব এতটাই বেশি যে, ইন্টারনেটের
মাধ্যমে ক্রমাগত পর্ণ না দেখলে তারা কোনোরকম যৌন
উত্তেজনাই অনুভব করতে পারে না। তাদের কেউ তাই খুব
হতাশ হয়ে পড়েন, যখন দেখতে পান তাদের স্বাভাবিক যৌন
জীবন আর আগের মত স্বাভাবিক থাকছে না।
পাশাপাশি অনেকেই জানে না, ইন্টারনেট
পর্ণোগ্রাফি এভাবে যৌন উত্তেজনাকেও কমিয়ে ফেলতে পারে এবং এটা জানার পর
তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
লেখিকার মতে, এর থেকে মুক্তির উপায় হলো ব্রেনকে আবার রিবুট করা। অর্থাত্ পর্ণোগ্রাফি দেখা একদম বন্ধ
করে দেয়া এবং কয়েক মাস পুরোপুরি বিশ্রাম নেয়া। এর ফলে ব্রেন থেকে সেই অতি উত্তেজনাকর
সিগনালগুলো দুর্বল হয়ে যাবে এবং একটা সময় সেই মানুষটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতেও পারে।
উঠতি বয়সী তরুণদের হাতে এখন কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট রয়েছে। এর অর্থ হলো, তাদের কাছে পর্ণোগ্রাফি ২৪
ঘণ্টাই হাতের কাছে রয়েছে। আর ওই বয়সে একবার তাতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তার পুরো জীবনের ওপর
সেটা প্রভাব ফেলতে বাধ্য।
প্রতিটি বাবা-মা’র উচিত হবে, এ বিষয়গুলো তার সন্তানদের ভালো করে বুঝিয়ে দেয়া এবং তরুণ
বয়সী ছেলেমেয়েদের বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা। মনে রাখতে হবে, ‘সেক্স এডুকেশন’ আর ‘সেক্স’ এক
জিনিস নয়। শিক্ষা মানুষকে সুন্দর করার জন্য। তাই ভুল কোনো ধারণায় বশবর্তী না হয়ে সঠিক শিক্ষাটি নিন,
ভালো থাকুন।
সুত্রঃ দৈনিক আমার দেশ, সাইকোলজি টুডে।

পর্নোগ্রাফির কুফল

ইন্টারনেট পর্ণোগ্রাফি নিয়ে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা যায় এটি এমন একটি তরুণ প্রজন্ম তৈরি করছে,
যারা শোবার ঘরে তাদের সঙ্গীর সাথে একেবারেই হতাশাজনক ফল দিচ্ছে। এই বিনোদন মাধ্যম তরুণগোষ্ঠীকে এতই
আকৃষ্ট ও প্রভাবিত করছে যে, তারা প্রকৃত নারীর কাছাকাছি আসলে তেমন একটা আকর্ষণ অনুভব করে না। তাই
যৌন অক্ষমতা এখন আর কেবল ভগ্ন শরীরের প্রৌঢ়দের মাঝে সীমাবদ্ধ নেই, এটা এখন আমাদের তরুণ
প্রজন্মের ভেতরও প্রকট হওয়া শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা জার্নাল,
‘সাইকোলজি টুডে’তে একটি গবেষণাপত্রে সম্প্রতি প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইন্টারনেট পর্ণগ্রাফি এখন
এতই স্বাভাবিক হয়ে গেছে যে, মাত্র বিশ বছরের তরুণ যুবকও প্রকৃত অর্থে স্বাভাবিকরকম যৌনাচরণ
করতে পারছে না। এর মূল কারণ কী হতে পারে? কারন হিসেবে বলা হয়েছে, যারা পর্ণো দেখে তাদের যৌন
উত্তেজনা তৈরিতে মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক উত্তেজনার (মেডিক্যালের ভাষায় এটাকে বলে ডোপামাইন স্পাইক)
প্রয়োজন হয়। আর একবার কোনোভাবে এই উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তখন সাধারণ নারীতে আর সেই
একই উত্তেজনা আসে না এবং মস্তিষ্ক আগের মত কাজ করে না। ফলে ধরতে গেলে তারা নপুংশক হয়ে যায়।
এই গবেষণাপত্রের লেখিকা 'মারনিয়া রবিনসন' বলেন, যৌন
উত্তেজক গল্প, ছবি কিংবা ভিডিও—এগুলো অনেক
আগে থেকেই ছিল। কিন্তু হালকালের সহজলভ্য ইন্টারনেটের
কারণে এই ‘ডোপামাইন স্পাইক’ এখন সীমাহীন
পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। ফলে এর প্রভাব হবে আরো অনেক
বেশি ক্ষতিকর। সম্প্রতি অনেক যুবকের ওপর
গবেষণা করে প্রমাণ পাওয়া গেছে যে, তাদের উপর এই
ডোপামাইন স্পাইকের প্রভাব এতটাই বেশি যে, ইন্টারনেটের
মাধ্যমে ক্রমাগত পর্ণ না দেখলে তারা কোনোরকম যৌন
উত্তেজনাই অনুভব করতে পারে না। তাদের কেউ তাই খুব
হতাশ হয়ে পড়েন, যখন দেখতে পান তাদের স্বাভাবিক যৌন
জীবন আর আগের মত স্বাভাবিক থাকছে না।
পাশাপাশি অনেকেই জানে না, ইন্টারনেট
পর্ণোগ্রাফি এভাবে যৌন উত্তেজনাকেও কমিয়ে ফেলতে পারে এবং এটা জানার পর
তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
লেখিকার মতে, এর থেকে মুক্তির উপায় হলো ব্রেনকে আবার রিবুট করা। অর্থাত্ পর্ণোগ্রাফি দেখা একদম বন্ধ
করে দেয়া এবং কয়েক মাস পুরোপুরি বিশ্রাম নেয়া। এর ফলে ব্রেন থেকে সেই অতি উত্তেজনাকর
সিগনালগুলো দুর্বল হয়ে যাবে এবং একটা সময় সেই মানুষটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতেও পারে।
উঠতি বয়সী তরুণদের হাতে এখন কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট রয়েছে। এর অর্থ হলো, তাদের কাছে পর্ণোগ্রাফি ২৪
ঘণ্টাই হাতের কাছে রয়েছে। আর ওই বয়সে একবার তাতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে, তার পুরো জীবনের ওপর
সেটা প্রভাব ফেলতে বাধ্য।
প্রতিটি বাবা-মা’র উচিত হবে, এ বিষয়গুলো তার সন্তানদের ভালো করে বুঝিয়ে দেয়া এবং তরুণ
বয়সী ছেলেমেয়েদের বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা। মনে রাখতে হবে, ‘সেক্স এডুকেশন’ আর ‘সেক্স’ এক
জিনিস নয়। শিক্ষা মানুষকে সুন্দর করার জন্য। তাই ভুল কোনো ধারণায় বশবর্তী না হয়ে সঠিক শিক্ষাটি নিন,
ভালো থাকুন।
সুত্রঃ দৈনিক আমার দেশ, সাইকোলজি টুডে।

শুক্রবার, ২২ মার্চ, ২০১৩

✔✔স্বপ্ন সম্পর্কিত কিছু তথ্য ✔✔

স্বপ্ন সম্পর্কিত কিছু তথ্য
০১. সাইকলজিষ্টদের
মতে রাতে অনিদ্রা হওয়ার অর্থ
আপনি হয়ত অন্য
কারো স্বপ্নে জীবিত।
০২. আপনি কখনই একসাথে নাক
ডাকতে এবং স্বপ্ন দেখতে পারবেন
না।
০৩. গড়ে একজন মানুষ
বছরে ১৪৬০টি স্বপ্ন দেখে। অর্থাৎ
প্রতি রাতে গড়ে প্রায় ৪ টি।
০৪. আমাদের মস্তিষ্ক কোন
চেহারা তৈরী করতে পারে না।
আমরা স্বপ্নে যে সব
চেহারা দেখি তার সবগুলোই
আমরা আমাদের জীবনে কখনও
না কখনও দেখেছি। আমাদের
জীবনে আমরা পথে ঘাটে অসংথ্য
চেহারা দেখি যা মনে রাখতে পারি না।
কিন্তু আমাদের সাব কনসাস মাইন্ড
(অবচেতন মন)
তা ধরে রাখে এবং স্বপ্নে তা দেখায়।
০৫. প্রতিটি মানুষই স্বপ্ন দেখে।
যদি আপনি মনে করেন আপনি স্বপ্ন
দেখেন না তার অর্থ হয়
আপনি তা মনে রাখতে পারেন
না নয়ত আপনি জটিল কোন মানসিক
রোগে ভুগছেন।
০৬. সাধারনত
গর্ভবতী মহিলারা অন্যান্যদের
চেয়ে বেশী স্বপ্ন
মনে রাখতে পারে।তার কারণ,
গর্ভকালীন
সময়ে তাদেরঅতিমাত্রায় হরমোনের
পরিবর্তন হয়।
০৭. স্বপ্ন দেখার ৫ মিনিটের
মধ্যে আমরা তার ৫০শতাংশ ভুলেযাই,
১০ মিনিটের মধ্যে ভুলে যাই প্রায়
৯০ শতাংশ।
০৮. আমরা সাধারনত প্রায় ৯০
থেকে ১৮০ মিনিট স্বপ্ন
দেখি যেখানে, গড়ে একটি স্বপ্নের
স্থায়িত্ব হয় ১০ থেকে ১৫ মিনিট।
সবচেয়ে লম্বা সময় স্বপ্ন
দেখি সকালে যার স্থায়িত্ব ৩০
থেকে ৪৫ মিনিট।

সোমবার, ১৮ মার্চ, ২০১৩

★★বিস্ময়কর কিছু তথ্য★★

★★বিস্ময়কর কিছু তথ্য★★
♠বিশ্বের সবচাইতে ধনী ৩ জন লোকের মোট টাকার
পরিমান গরীব ৪৮ টি দেশের মোট টাকার চাইতেও
বেশি।
♠মশারা নীল রঙের প্রতি দুর্বল!! ঘরের বাতি নীল
রঙের হলে মশার সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে।
♠ পিঁপড়া হচ্ছে একমাত্র প্রাণী যেটি কখনো ঘূমায়
না।
♠আমরা বিভিন্ন জিনিসের স্বাদ নেই জিহবা দিয়ে,
আর প্রজাপতি এ কাজটা করে পা দিয়ে।
♠শামুক টানা তিন বছর ঘুমাতে পারে। ক্যাঙ্গারু
এক লাফে ৩০ ফুট যেতে পারে।
♠বাঘ সাধারণত রাতে শিকার করে।। শুধু
প্রাণী নয়, মাঝে মাঝে তারা মাছ ধরেও খায়!!
♠মানব মস্তিষ্কের ৮০ শতাংশ পানি দিয়ে তৈরি!!

শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০১৩

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন!!!

রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন!!!!
রাগ মানুষের চরম শত্রু। রাগ সুন্দরকে মুহূর্তের
মধ্যে কুৎসিত করে তুলতে পারে। রাগের জন্য কেউ
আপনাকে শাস্তি না দিক, রাগ আপনাকে ঠিকই
শাস্তি দেবে। কিভাবে? দেখুন-
ক্রোধের সময় অ্যাড্রেনালিন ও নরঅ্যাড্রেনালিন
হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়। এই হরমোন
দুটি রক্তনালিকে সংকুচিত করে এবং হৃৎস্পন্দন
বাড়ায়। ফলে রক্তচাপও বৃদ্ধি পায়। স্বাভাবিক
সময়ে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হৃৎস্পন্দনের হার
প্রতি মিনিটে ৭০ থেকে ৮০। রাগের সময়
তা বেড়ে প্রতি মিনিটে ১৮০ বা আরও
বেশি হতে পারে। স্বাভাবিক সময়ে প্রাপ্তবয়স্ক
মানুষের রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ। আর
রাগের সময় তা বেড়ে হতে পারে ২২০/১৩০
মিলিলিটার পারদ। এসব কারণে হার্ট অ্যাটাক
হতে পারে। মস্তিষ্কের অত্যন্ত সরু
রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে হতে পারে স্ট্রোক।
যারা কোনো ব্যাপারে রাগের সঙ্গে আচরণ করে, ৫৫
বছর বয়স হওয়ার আগেই তাদের হৃদরোগের
ঝুঁকি স্বাভাবিক আচরণকারীদের তুলনায় তিন গুণ
বেশি। রাগান্বিত হওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যেই হার্ট
অ্যাটাকের আশঙ্কা দুই গুণ বেশি।
রাগ প্রতিরোধ করেত কি করবেন?
–প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিনিট একাকী বসে ধ্যান
করুন। সৎ চিন্তা করুন।
–রেগে গিয়ে কোনো বিষয়ে উত্তর দেওয়ার আগে ১
থেকে ১০ পর্যন্ত গণনা করুন।
–নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
–রাগ দমনে ব্যর্থ হলে একজন মনোরোগ
চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করুন।

বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০১৩

পৃথিবীর বৃহত্তম

পৃথিবীর বৃহওম সব কিছু জেনে নিন
¤ বৃহত্তম দেশ - রাশিয়া
¤ বৃহত্তম শহর - টোকিও
¤ বৃহত্তম অফিস - পেন্টাগন বিল্ডিং
¤ বৃহত্তম স্টেডিয়াম - স্ট্রাইভ
স্টেডিয়াম
¤ বৃহত্তম যুদ্ধ জাহাজ - ইয়ামাটো
¤ বৃহত্তম সাগর - দক্ষিন চীন সাগর
¤ বৃহত্তম যাত্রীবাহী জাহাজ - কুইন
মেরী ২
¤ বৃহত্তম পর্বত শ্রেনী - কারাকোরাম
¤ বৃহত্তম নদী - মিসিসিপি
¤ বৃহত্তম ডুবোজাহাজ - নটিখাল
¤ বৃহত্তম উপসাগর - মেক্সিকো উপসাগর
¤ বৃহত্তম জেল খানা - খারকভ জেল খানা
¤ বৃহত্তম দ্বীপ - গ্রীনল্যান্ড
¤ বৃহত্তম উপদ্বীপ - আরব উপদ্বীপ
¤ বৃহত্তম ব- দ্বীপ- বাংলাদেশ
# বৃহত্তম নদী -নীল নদ
তথ্যগুলো জেনে ভালো লাগলে লাইক
দিতে এবং শেয়ার
করতে ভুলবেননা এতে আমরা আরো নতুন
তথ্য প্রদানে উৎসাহিত হই।

পৃথিবীর বৃহত্তম

পৃথিবীর বৃহওম সব কিছু জেনে নিন
¤ বৃহত্তম দেশ - রাশিয়া
¤ বৃহত্তম শহর - টোকিও
¤ বৃহত্তম অফিস - পেন্টাগন বিল্ডিং
¤ বৃহত্তম স্টেডিয়াম - স্ট্রাইভ
স্টেডিয়াম
¤ বৃহত্তম যুদ্ধ জাহাজ - ইয়ামাটো
¤ বৃহত্তম সাগর - দক্ষিন চীন সাগর
¤ বৃহত্তম যাত্রীবাহী জাহাজ - কুইন
মেরী ২
¤ বৃহত্তম পর্বত শ্রেনী - কারাকোরাম
¤ বৃহত্তম নদী - মিসিসিপি
¤ বৃহত্তম ডুবোজাহাজ - নটিখাল
¤ বৃহত্তম উপসাগর - মেক্সিকো উপসাগর
¤ বৃহত্তম জেল খানা - খারকভ জেল খানা
¤ বৃহত্তম দ্বীপ - গ্রীনল্যান্ড
¤ বৃহত্তম উপদ্বীপ - আরব উপদ্বীপ
¤ বৃহত্তম ব- দ্বীপ- বাংলাদেশ
# বৃহত্তম নদী -নীল নদ
তথ্যগুলো জেনে ভালো লাগলে লাইক
দিতে এবং শেয়ার
করতে ভুলবেননা এতে আমরা আরো নতুন
তথ্য প্রদানে উৎসাহিত হই।

মোবাইলে কথা বলার সময় সতর্কতা

মোবাইলে কথা বলার
সময় আপনার বাঁ পাশের
কান ব্যবহার
করুন.....কারণ
বিশ্বখ্যাত Apollo
Medical Team
সম্প্রতি নিশ্চিত হয়েছে যে,
যারা ডান
পাশের কান
বেশি ব্যবহার করেন
mobile radiation তাদের
মস্তিস্ককে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
করে ....তথ্যটি শেয়ার করে আপনার
প্রিয়জনদের
জানিয়ে দিন ....Please
share this info with
your loved ones Use
only your LEFT EAR when using
Mobile
Phones, and avoid using
the RIGHT EAR , as that
makes our brain more
prone to mobile
radiation. This was found out by a
latest
research from Apollo
Medical Team .

মোবাইলে কথা বলার সময় সতর্কতা

মোবাইলে কথা বলার
সময় আপনার বাঁ পাশের
কান ব্যবহার
করুন.....কারণ
বিশ্বখ্যাত Apollo
Medical Team
সম্প্রতি নিশ্চিত হয়েছে যে,
যারা ডান
পাশের কান
বেশি ব্যবহার করেন
mobile radiation তাদের
মস্তিস্ককে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
করে ....তথ্যটি শেয়ার করে আপনার
প্রিয়জনদের
জানিয়ে দিন ....Please
share this info with
your loved ones Use
only your LEFT EAR when using
Mobile
Phones, and avoid using
the RIGHT EAR , as that
makes our brain more
prone to mobile
radiation. This was found out by a
latest
research from Apollo
Medical Team .

বুধবার, ৬ মার্চ, ২০১৩

বাংলদেশ সম্পর্কে কিছু তথ্য

বাংলাদেশ সম্বন্ধে কিছু তথ্য।
--বাংলাদেশ--
• বিশ্বের ৭৬তম ধনী রাষ্ট্র।
•অন্যতম শক্তিশালি ১০টি মুসলিম
দেশের একটি।
•এখানে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড়
সমুদ্র সৈকত(কক্সবাজার)
•বিশ্বের সবচেয়ে বড় লোনা পানির
বনাঞ্চল (সুন্দরবন) এখানে।
•বিশ্বের ১১তম দীর্ঘ সেতু(যমুনা সেতু)
তো এদেশেই।
•জাতিসংঘ
শান্তি রক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশী সৈন্য
প্রেরন করা দেশ।
•রপ্তানিকারক দেশ
হিসাবে বিশ্বে ২৭তম, গার্মেন্টস
শিল্পে প্রথম।
প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ দেশটি ২০৫০
সালে বিশ্বের অন্যতম ১০টি ক্ষমতাধর
দেশের একটিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।
ইনশাল্লাহ ♥

মৃত্যুর পুর্ব মুহূর্তের কিছু মজার বাক্য

★*★মৃত্যুর পূর্বমূহুর্তের কিছু
মজার বাক্য★*★
০১) ১৫৫৩ সালে রাজদ্রোহের
অভিযোগে সাহিত্যিক টমাস
মুর এর শিরোচ্ছেদের আদেশ
হয় ।
জল্লাদ ধারালো কৃপাণ
চালানোর আগ মুহূর্তে টমাস
মুর সময় চাইলেন । তারপর
সযত্নে তার বাবরি চুল
সরিয়ে বললেন “দেখো,
এগুলো যেন না কাটে”।
০২) ১৮৯৬ সালে চেরোকী বিল
নামে একজন
রাজনীতিবিদকে ফাঁসির
আগে কিছু ...বলতে বলা হলে তিনি বলেছিলেন
“আমি এখানে মরতে এসেছি,
ভাষণ দিতে নয়” ।
০৩) কার্ল পানযরাম
নামে এক
শিল্পীকে ফাঁসিতে ঝোলাতে গিয়ে কোন
কারণে জল্লাদের
দেরি হচ্ছিল । তাতে কার্ল
রেগে গিয়ে বলেছিলেন
“জলদি কর
বেজন্মা কোথাকার, -তোর
জায়গায়
হলে আমি এতক্ষণে এক
ডজনকে ঝুলিয়ে দিতাম”।
০৪) জর্জ আ পেল নামে এক
খুনীকে ইলেক্ট্রিক
চেয়ারে বসানো হল ।
চেয়ারে বসে সে উপস্থিত
দর্শকদের
দিকে তাকিয়ে সহাস্যে মন্তব্য
করল “বন্ধুরা, আপনারা একটু
পরেই এই চেয়ারের উপর
একটি সেদ্ধ আপেল
দেখতে পাবেন ”।
০৫) প্রাচীন রোমে সুববিয়াস
ফ্লেভাসকে শিরচ্ছেদের
মাধ্যমে মৃত্যদন্ড প্রদানের
কিছুক্ষণ আগে জল্লাদ
তাকে স্থির থাকার পরামর্শ
দেয় ।
এতে রেগে গিয়ে সুববিয়াস
বলেছিলেন
“আমি ঠিকি আছি গাধা, তোর
হাত স্থির থাকলেই
হয়”।
০৬) কুখ্যাত গ্যাংস্টার জেমস
ডব্লিউ
রজারসকে ফায়ারিং স্কোয়াডের
সামনে দাঁড় করিয়ে শেষ
ইচ্ছে জানতে চাওয়া হলে সে ঠাট্টাচ্ছলে বলেছিল
“একটা বুলেটপ্রুফ পোশাক চাই
”।
০৭) রুশ বিপ্লবী কাউন্ট
পাসটেলকে ফাঁসিতে ঝোলানোর
সময় প্রথম চেষ্টায় জল্লাদ
ব্যর্থ
হয় ।
তাতে তিনি রেগে গিয়ে বলেন
“স্টুপিড দেশ, কেমন
করে ফাঁসি দিতে হয় এরা তাও
জানে না”।
০৮) ফরাসি বিপ্লবী জিয়ান
সেলভেইন বেইরীকে যখন
বধ্যভূমিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল
তখন তিনি কাঁপছিলেন ।
উপস্থিত একজন এ বিষয়ে তার
দৃষ্টি আকর্ষণ
করলে তিনি বিরক্ত
হয়ে উত্তর দিয়েছিলেন “বুদ্ধু
কোথাকার, ঠান্ডায় কাঁপছি ”।
০৯) কবি হেনরী রীচার
মৃত্যুর আগের
মুহুর্তে বলেছিলেন “শুরু
হল রহস্যের….”।
১০) লেখক ও হেনরী মৃত্যুর
আগে ঘরের সব
বাতি জ্বেলে দিয়ে বলেছিলেন
“আমি অন্ধকারে বাড়ি ফিরে যেতে চাই
না ”।
☆মৃত্যুদন্ড ব্যাপারটা করুণ
হলেও ওটাকে উপভোগ্য
করেছে কিছু ব্যতিক্রমি মানুষ
৷যাই হোক কেমন হলো বলুন৷