শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০১৩

জেনে নিন আপনার ব্লাড গ্রুপের বৈশিষ্ট্য

জেনে নিন আপনার ব্লাড গ্রুপের বৈশিষ্ট্য ::
"O+"
এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা স্বচ্ছ
দৃষ্টি সম্পন্ন, গভীর মনোযোগী, উচ্চাকাঙ্খী,
স্বাস্থ্যবান, বাকপটু, বাস্তববাদী, রোমান্টিক
এবং অত্যান্ত বুদ্ধিমান হয়ে থাকে।
"O-"
এই গ্রুপের মানুষেরা সাধারণত অন্যের
মতামতকে গ্রাহ্য করে না।
সমাজে মর্যাদা বাড়াতে আগ্রহী, বড়লোকের
সঙ্গপ্রিয় এবং বড় বেশি বাচাল।
"A+"
এই ব্লাডগ্রুপের মানুষেরা গোছগাছ
প্রিয়, দক্ষ চাকুরে এবং খুঁতখুঁতে স্বভাবের
হয়ে থাকে। এরা আত্নকেন্দ্রিক, সুবিচারক,
শান্ত, নিয়মতান্ত্রিক, বিশস্ত,
নিয়মানুবর্তী ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।
"A-"
এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা খুব
খুঁতখুঁতে স্বভাবের এবং কিছুটা অমনোযোগী।
কিন্তু অপ্রয়োজনীয়
বিষয়ে বেশি মনোযোগী। এদের অন্যের
বিরুদ্ধে অভিযোগ করার প্রবণতা বেশি।
এদের আছে নিজেকে লুকানোর অভ্যাস
এবং একঘেয়েমি জীবন।
"B+"
এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা স্বাধীনচেতা,
মেধাবী, নমনীয়, মনোযোগী, স্বাস্থ্যবান,সরল,
দক্ষ, পরিকল্পনাবাদী, বাস্তববাদী,আবেগ
প্রবণ এবং খুব বেশি রোমান্টিক হয়ে থাকে।
"B-"
এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা অসংযমী,
অপরিনামদর্শী, দায়িত্বহীন, অলস, স্বার্থপর,
অগোছালো, অবিবেচক
এবং স্বার্থান্বেষী হয়ে থাকে।
"AB+"
এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা সাধারণত
সুবিবেচক, বু্দ্ধি সম্পন্ন, হিসেবী,
পরিকল্পনাবাদী, সৎ কৌশলী সংবেদনশীল,
নিরেট এবং খুব চমৎকার সাংগঠনিক
হয়ে থাকে।
"AB-"
এই ব্লাড গ্রুপের মানুষেরা দুর্বোধ্য,
ক্ষমতাহীন, অন্যকে আঘাত করার
প্রবণতা বেশি, এনার্জি স্বল্পতা, খুব
বেশি রক্ষনশীল ও বড়
বেশি সংবেদনশীল হয়ে থাকেন।
সুত্র: ৯০এর দশকের মাঝামাঝি প্রকাশিত "You
and your Blood type"গ্রন্থে মানুষের
ব্লাডগ্রুপ এর বিশেষজ্ঞ "তসিকাত ানমি"
এবং "আলেকজেন্ডার বেলার"এ মতামত ব্যক্ত
করেন।

সবজির উপকারিতা ও গুণাগুণ

সবজির উপকারিতা ও গুণাগুণ : ৪টি সালাদ
প্রস্তুতে ব্যবহৃত হয়।
১. শসা : এটি প্রোটিন পরিপাকে সহায়ক।
কিডনি ও পাকস্থলী প্রদাহ নিরাময়ে ফলপ্রসূ।
২. টমেটো : এর গুণাগুণ সম্পর্কে নতুন করে কিছু
বলার নেই। কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্যান্সার
প্রতিরোধে সাহায্য করে। প্রচুর খনিজ সমৃদ্ধ
সবজি। ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ।
৩. গাজর : এটি রাতকানা, ক্যান্সার ও
ফুসফুসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। ভিটামিন
সমৃদ্ধ সবজি।
৪ . বাঁধাকপি : কমলালেবুর চেয়েও
বেশি ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ। আছে আয়োডিন,
ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও
ভিটামিন ‘সি’ এবং ‘ই’।

পুরুষদের সুস্থ্যতার ৯টি লক্ষণ


১. সাধারন অবস্থায় আপনার হার্ট রেট ৭০ এর
কাছাকাছি
২. আপনার নখ হবে শক্ত
এবং কিছুটা গোলাপী রঙের
৩.আপনার ইউরিন এর রঙ Straw বা খড়ের রঙ
এর মত
৪. আপনার ২০ টি পুশ আপ করতে পারা উচিৎ
৫. আপনি ১৫ মিনিটের নিচে এক মাইল
দৌড়াতে পারেন
৬. আপনার বাথরুম প্রতিদিন একই সময়ে হয়
৭. অ্যালার্ম ছাড়াই আপনি প্রতিদিন
সকালে কম বেশি একই সময়ে উঠতে পারেন
৮. আপনার ওজন আপনার আদর্শ ওজনের ৫
কেজির আশেপাশে
৯. ভারী কাজ বা ব্যায়াম বা দৌড়াদৌড়ি’র
পর আপনার হার্ট রেট ৫ মিনিটের
মধ্যে সাধারনে নেমে আসবে

তুলসী পাতার ৮ টি গুনাগুন


1.পুরুষত্বহীনতা দূরীকরণে এই পাতার অবদান রয়েছে।
2.ত্বকের রোশনি বাড়ানোর জন্য, ত্বকের
বলীরেখা এবং ব্রন দূর করার জন্য
তুলসী পাতা পিষে মুখে লাগাতে পারেন।
3.প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া দূর
করতে হলে তুলসী পাতার রস ২৫০ গ্রাম দুধ
এবং ১৫০ গ্রাম জলের মধ্যে মিশিয়ে পান করুন।
4. ঠান্ডা মৌসুমে ছোট বাচ্চাদের
তুলসী পাতা খাওয়ালে কৃমি দূর
হবে এবং মাংসপেশি ও হাড় হবে শক্তিশালী।
5.যদি কখনও বমি কিংবা মাথা ঘোরা শুরু করে,
তাহলে তুলসী রসের মধ্যে গোলমরিচ
মিশিয়ে খেলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।
6. সকালবেলা খালি পেটে তুলসী পাতা চিবিয়ে রস
পান করলে খাবারের রুচি বাড়ে।
7.নিয়মিত তুলসীর রস পানে হৃদরোগেও উপকার
পাওয়া যায়।
8.চোখের সমস্যা দূর
করতে রাতে কয়েকটি তুলসী পাতা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ওই
পানি দিয়ে সকালে চোখ ধুয়ে ফেলুন।
বহুবিধ ব্যবহারের জন্য তুলসী পাতাকে বলা হয় ‘কুইন
অব হার্ব’ বা ওষধি গাছের রানি। এই ওষধি পাতা শুধু
শীতকাল নয়, ১২ মাসই ব্যবহারের উপযোগী।

চুল পড়া রোধে ২৫ উপায়ঃ


সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন চুলের জন্য সবজি ও বাদাম
জাতীয় খাবার অনেক উপকারী। জেনে নিন
কী করলে আপনার চুল পড়া বন্ধ হবে।
*গরম পানিতে গোসল ত্যাগ করা উচিত।
*প্রচুর পানি পান করুন।
*নিয়মিত ব্যায়াম করুন।
*চুল ট্রিম করুন।
*হেয়ার ম্যাসাজ করুন।
*জেনেটিক, হরমোন পরিবর্তন বা মা হওয়ার
পর চুল পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
*ভেজা চুলে চিরুনি দেবেন না।
*গোড়া শক্ত করে সব সময় চুল বাঁধবেন না।
*চুল পড়তে থাকলে চুলে তেল দেয়া বন্ধ করুন।
*আয়রন ট্যাবলেট গ্রহণ করুন,সবুজ এবং হলুদ
সবজি ও ফল বেশি করে খান।
*প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার যেমন ডিমের
সাদা অংশ, ভেড়ার মাংস,সয়াবিন, পনির, দুধ
এবং দই চুলের জন্য উপকারী।
*চুলে হিট দিলে তা চুলের জন্য ক্ষতিকর
হতে পারে। তাই হিট বন্ধ করুন।
*সূর্যের তাপ পরিহার করুন।
*মাথার চামড়ার ওপর নরম ম্যাসাজ চুলের
গোড়ায় রক্ত চলাচল বাড়ায়,যা চুলের জন্য
ভালো।
*চুল অতিরিক্ত আঁচড়াবেন না।
*চিকন হওয়ার জন্য অতিরিক্ত ডায়েট
কন্ট্রোল চুলের জন্য ক্ষতিকর।
*ধূমপান চুলের জন্যও ক্ষতিকর।
*ভিটামিন সি, ই এবং বিটা ক্যারোটিন চুলের
জন্য ভালো।
*মেডিটেশন এবং যোগব্যায়াম মানসিক চাপ
কমায়, যা চুলের জন্যও ভালো।
*কুমড়োর বিচি ফাইটোস্ট্রোজেনের
উৎস,যা চুল পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। এক
চা-চামচ করে সপ্তাহে তিন চামচ
এক্ষেত্রে কার্যকর।
*কন্ডিশনার কেবল ত্বকের ওপর নয়, চুলের
আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত লাগিয়ে ১
থেকে ২ মিনিট রেখে পর্যাপ্ত
পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
*চিরুনির ফাঁক হওয়া উচিত বড়।ঘন
দাঁতওয়ালা চিরুনি ব্যবহার করা উচিত নয়।
*কালারিং, সোজাকরণ
ইত্যাদি একসঙ্গে করা উচিত নয়।
*উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত জাঙ্ক ফুডে চুল শক্ত
হলেও ভঙ্গুর হয়ে যায়।
*চুলকে কিছু বিশ্রাম দেয়া উচিত।
তাকে হাওয়ায় উড়তে দিন ইচ্ছামতো।
আপনাদের জ্ঞাতার্থে...যেকোন
একটি উপায় পালন করুন। অনেকগুলো উপায়
একেত্রে পালন করতে গিয়ে উপকারের
নামে অপকারটাই বেশি হতে পারে।

বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৩

প্রশ্নঃ অনেকেই “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” না লিখে ‘৭৮৬’ লিখে থাকে। এটা কি ঠিক?

প্রশ্নঃ অনেকেই “বিসমিল্লাহির
রাহমানির রাহিম” না লিখে ‘৭৮৬’
লিখে থাকে। এটা কি ঠিক?
উত্তরঃ ডাঃ জাকির নায়েকঃ
কিছু লোক
আছে যারা আরবী বর্ণমালাগুলোর
নির্দিষ্ট মান দিয়ে যোগফল বের
করে। তারপর ঐ মান
দিয়ে তারা কোনো আয়াত
বা দোয়া বা কোনো নাম নির্দেশ
করার চেষ্টা করে।
উদাহরণ দিয়ে বলা যায়
“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”-
এর ‘বা’, ‘আলিফ’, ‘সিন’ এ
বর্ণমালাগুলোর মান বসিয়ে তার
বের করেছেন ৭৮৬ আবার ৯২
দিয়ে বুঝান মুহাম্মাদ (সা)
এভাবে আরো অনেক কিছু। কিন্তু এমন
ব্যবহার কোরআন বা সহীহ হাদীসের
কোথাও পাওয়া যায় না।
কিছু লোক তর্ক করে যে, আমরা যখন
আরবি বর্ণমালা না পাই, তখন
দাওয়াতপত্র ভিজিটিং কার্ড
ইত্যাদি ছাপাতে সংখ্যাগুলো লিখি।
কিন্তু আমার কথা হলো,
আপনি আরবী শব্দটি ইংরেজিতে বানান
করে লিখেন। আর যদি মনে করেন
সবাইবুঝবেনা তাহলে অনুবাদ
লিখতে পারেন। যেমন “পরম করুনাময়
দাতা ও দয়ালু আল্লাহ্র নামে”। এত
সহজ উপায় থাকতে এমন কঠিন ও
বিদঘুটে পদ্ধতির প্রয়োজন কি?
আসলে বিভিন্ন
সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন
ধারনা আমাদের
সমাজে দেখা যায়। যেমন
পশ্চিমা সমাজে ১৩
সংখ্যাটিকে অপয়া ভাবা হয়।
তারা বলে ‘আনলাকি থার্টিন’।
আবার তারা ৬৬৬ দ্বারা বুঝায়
শয়তান।
আমাদের ভারতীয়
উপমহাদেশে চোর, বাটপার,
ফটকাবাজদের ৪২০বলা হয়। এর অবশ্য
কারণ আছে, ভারতীয় উপমহাদেশের
সবদেশেই যদি কোন চোর বাটপার
ধরা হয় তাহলে তাকে যে ধারায়
শাস্তি দেয়া হয় সেটি পেনাল
কোডের ৪২০ নং ধারায় বর্ণীত। তাই
যদিও কারণ আছে তবুও
অনেকে না বুঝেই বলে।
যারা বলেন যে বিভিন্ন বর্ণের
অবস্থানগত মান যোগ করে ঐ শব্দের
প্রতিনিধিত্বকারী সংখ্যা বের
করেছেন, তাদের আমি সমর্থন
করি না। কারন, একই মান
দিতে পারে এমন সংখ্যা দুটি শব্দের
প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। যার
একটি ভালো অন্যটি খারাপ।
সে ক্ষেত্রে আপনি কোনটি গ্রহন
করেবেন?
উদাহরণ দেই, যদি বলি ইংরেজি বর্ণ
B এর মান ১ এবং A এর মান৭ আর ধরুন D
এর মান ৪। এখন যোগ করলে আমরা পাই
১২। অর্থাৎ BAD (খারাপ)এর সংখ্যাগত
মান পেলাম ১২। এখন G এর মান ২, O এর
মান ৩, D এর মান ৪ ধরলে GOOD এর মান
কত?দেখুন ২ ৩ ৩ ৪=১২। অর্থাৎ
(GOOD)ভালো এর সংখ্যাগত মান
পেলাম ১২ ।
এখন আমি ১২ কে ভালো বা মন্দ
কোনটা নির্দেশক বলব?
যদি প্রথমটি মেনে বলি ১২ একটি মন্দ
নির্দেশক তখন পরে আবার দেখলাম
সংখ্যাটি যে মান
ধরে নেয়া হয়েছে তা ভালকেও
নির্দেশ করে।
তাই যারা ‘বিসমিল্লাহ্’ কে ৭৮৬
দ্বারা প্রকাশ করেন তাদেরকে বলি,
এমন অনেক শব্দ পাবেন যেগুলোর
বর্ণের মান যোগ করলে ৭৮৬
পাওয়া যাবে। সেশব্দ
বা বাক্যগুলোর কিছু
হতে পারে ভালো আবার কিছু
হতে পারে খারাপ নির্দেশক।
তাই আমি কোনো মুসলমানকেই সমর্থন
করিনা যখন সে ৭৮৬
দ্বারা বিসমিল্লাহ প্রকাশ করে।
আশাকরি সবাই
বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। (আমাদের
কথায়, এটা কুরআনের
প্রতিটি অক্ষরে ১০টি নেকি থেকে বঞ্চিত
করার শয়তানী ছল মাত্র )

খারাপ স্বপ্ন দেখলে করনীয়

খারাপ স্বপ্ন দেখলে করণীয় :
ক্বাতাদাহ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত,
তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘সৎ ও
ভাল স্বপ্ন
আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়ে থাকে। আর
মন্দ
স্বপ্ন শয়তানের পক্ষ
থেকে হয়ে থাকে।
কাজেই তোমাদের কেউ যখন ভয়ানক
মন্দ
স্বপ্ন দেখে তখন সে যেন তার বাম
দিকে (৩
বার) থুকু ফেলে এবং শয়তানের
ক্ষতি হ’তে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চায়।
তাহ’লে এমন স্বপ্ন তার কোন
ক্ষতি করতে পারবে না’।
(বুখারী ‘সৃষ্টির সূচনা’ অধ্যায় ‘ইবলীস
ও তার
বাহিনী’ অনুচ্ছেদ হা/৩২৯২)
রাতে ঘরের
বাতি নিভিয়ে খাবার পাত্র
ঢেকে রাখা :
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘(রাতে)
তোমাদের ঘরের
বাতি নিভিয়ে দাও
এবং আল্লাহ্র নাম স্মরণ কর। তোমার
পানি রাখার পাত্রের মুখ
ঢেকে রাখ
এবং আল্লাহ্র নাম স্মরণ কর।
তোমরা বাসন-
কোসন ঢেকে রাখ এবং আল্লাহ্র নাম
স্মরণ
কর। সামান্য কিছু হ’লেও তার ওপর
দিয়ে দাও’।
(বুখারী হা/৩২৮০, মুসলিম হা/২০১২;
আহমাদ
হা/১৪৮৩৫)